নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে পাশ্ববর্তী লক্ষ্মীপুরের দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী জিসান বাহিনীর দুই সদস্যকে অস্ত্রসসহ আটক করেছে পুলিশ। এসময় তাদের আরো অন্তত ৫ সহযোগী পালিয়ে যায়। মঙ্গলবার গভীর রাতে নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুর মহাসড়কে উপজেলার আলাইয়াপুর ব্যাপারী বাড়ির রাস্তার মাথা থেকে তাদেরকে আটকের সময়ে ডাকাত দলের সাথে পুলিশের গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটে। 
আটককৃতদের কাছ থেকে একটি দেশীয় তৈরী এলজি, এক রাউন্ড কার্তুজ, দুটি লম্বা চোরা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও ডাকাতির প্রস্তুতির দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। বুধবার বিকালে তাদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হয়।
আটককৃতরা হচ্ছেন-বেগমগঞ্জ উপজেলার ছয়ানী ইউনিয়নের ভুপতিপুর গ্রামের সিরাজ মিয়ার ছেলে আব্দুর রহমান (২২) এবং আমানউল্যা পুর ইউনিয়নের কোয়ারিয়া গ্রামের সুরুজ মিয়ার ছেলে মিন্টু মিয়ার ওরফে বদু (২৭)। তাদের বিরুদ্ধে বেগমগঞ্জ থানায় সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির একাধিক মামলা রয়েছে।
বেগমগঞ্জ মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই সাইফুল ইসলাম ভুঁঞা জানান, বেগমগঞ্জের পশ্চিমাঞ্চলে লক্ষ্মীপুরের সন্ত্রাসী বাহিনীগুলোর সদস্যরা সক্রিয় রয়েছে। সন্ত্রাস এবং ডাকাতিই তাদের কাজ। আলাইয়াপুরে ব্যাপারী রাস্তার মাথায় ৮-১০জন ডাকাত ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই নুর আলমের নেতৃত্বে বেগমগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌছলে ডাকাতরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে পরে পুলিশও পাল্টা গুলি বর্ষন করে। এসময় পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ধাওয়া করে দুইজনকে আটক করা হয় এবং আরো ৫-৬জন পালিয়ে যায়।
বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আইনুল হক গুলি বিনিময়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন- ডাকাতরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ২-৩ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। পরে পুলিশ পাল্টা এক রাউন্ড গুলি ছুড়লে ডাকাতরা পালিয়ে যায়। আটককৃতদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও ডাকাতির প্রস্তুতির দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।