লেবার পার্টি আয়োজিত সীমান্ত আগ্রাসন দিবসের মানবন্ধন কর্মসূচীতে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিষ্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেছেন, বিএসএফ নির্বিচারে বাংলাদেশী নাগরিকদের নির্মম ভাবে মধ্যযুগীয় কায়দায় হত্যা
করছে। ভারতের তাবেদার সরকারের নতাজানু পরাষ্ট্রনীতি ও মাত্রাতিরিক্ত ভারত প্রীতির কারনেই সীমান্তে গণহত্যা থামছে না। সরকারের এমপি মন্ত্রীদের প্রশ্নবিদ্ধ ও উস্কানি মুলক বক্তব্য সীমান্ত হত্যাকে আরো উৎসাহিত করছে। বিএসএফ ফেলানীকে নয় বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে অস্বীকার করে সার্বভৌমত্বকে হত্যা করছে। আগামীতে দেশপ্রেমিক সরকারের অধীনে ফেলানীসহ সীমান্তে সকল হত্যাকান্ডের বিচার করা হবে।
 
ব্যারিষ্টার রফিক আরো বলেন, সরকারের সীমাহীন দুর্নীতি, লুটপাট, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দখলবাজির মতো অনেক অর্জন রয়েছে। শেয়ার বাজার কেলেংকারি ডেসটিনি,ইউনিপেটুইউ, হলমার্ক,রেলওয়ে,পদ্মাসেতু ও কুইকরেন্টালের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লুন্ঠন করছে। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলমসহ বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের গুম,খুন,অপরহরণ, ক্রসফায়ার, হামলা-মামলা গ্রেফতার ও হয়রানি করছে। সংবাদপত্রে স্বাধীনতা হরন, সাংবাদিক দলন ও বিচার বিভাগের নিলজ্জ দলীয় করণ করা হয়েছে।
 
লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান ইরানের সভাপতিত্বে ৭ জানুয়ারি সোমবার জাতীয় প্রেসকাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আহমেদ আজম খান, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মাওলানা আব্দুল লতিফ নিজামী, বিএনপি নেতা আবু নাসের মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ, লেবার পার্টির মহাসচিব হামদুল্লাহ আল মেহেদী, ভাইস চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, ভাষাসৈনিক মোঃ লোকমান হাকিম, মোঃ মোসলেম উদ্দিন, যুগ্ম মহাসচিব আহসানউল্লাহ শামীম, মোঃ সামসুদ্দিন পারভেজ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ফারুক রহমান, ওলামা ফোরাম আহবায়ক মাওলানা আনোয়ার হোসাইন,যুব ফোরাম আহবায়ক মোঃ হুমায়ুন কবির, ছাত্র ফোরাম আহবায়ক কামরুল ইসলাম সুরুজ, ঢাকা মহানগর লেবার পার্টির সদস্য সচিব মোঃ আশরাফ আলী হাওলাদার, ছাত্র ফোরাম নেতা নাজমুল হাসান রুমান প্রমূখ।